নারীর স্বাধীনতা মানে কি শুধুই বেহায়াপনা? ব্রার ফিতা vs বিভ্রতিকর কটুক্তি

ব্রা হচ্ছে নারীদের দৈনন্দিন জীবনের পোশাক বা হাতিয়ার স্বরুপ। সাধারণত একজন প্রাপ্ত বয়স্ক নারী সবসময় ব্যবহার করে থাকেন। প্রথম লাইনে হয়তো খেয়াল করেছেন
Please wait 0 seconds...
Scroll Down and click on Go to Link for destination
Congrats! Link is Generated
আস্‌সালামু আলাইকুম! আশা করি আল্লাহ এর অশেষ রহমতে আপনারা সবাই ভালো আছেন।আমিও আপনাদের দোয়াই ভালো আছি। আজ আপনাদের কাছে একটা নতুন আর্টিকেল নিয়ে হাজির হয়েছি। তাই কথা না বাড়িয়ে চলুন সরাসরি আর্টিকেলটির মুল অংশে প্রবেশ করি। আজকের আর্টিকেল এর মূল বিষয় হলোঃ

নারীর স্বাধীনতা মানে কি শুধুই বেহায়াপনা? ব্রার ফিতা vs বিভ্রতিকর কটুক্তি


নারীর স্বাধীনতা মানে কি শুধুই বেহায়াপনা? ব্রার ফিতা vs বিভ্রতিকর কটুক্তি


ব্রা হচ্ছে নারীদের দৈনন্দিন জীবনের পোশাক বা হাতিয়ার স্বরুপ। সাধারণত একজন প্রাপ্ত বয়স্ক নারী সবসময় ব্যবহার করে থাকেন। প্রথম লাইনে হয়তো খেয়াল করেছেন, ব্রা-কে হাতিয়ার হিসেবে উপস্থাপন করেছি! ব্রা আসলে মেয়েদের স্তনের সৌন্দর্যের সাথে স্তনের সেইফটির কাজটা ও করে, তাই ব্রা-কে হাতিয়ার হিসেবে ধরা যায়। ব্রা মূলত স্তনের সঠিক আকার ধরে রাখতে সাহায্য করে। স্তনকে নির্দিষ্ট আকারের মধ্যে রাখতে সাহায্য করে। বাহির থেকে কোন আঘাত সরাসরি স্তনে লাগতে দেয় না। অনেক সময় ঝুঁকে বা নিচু হয়ে কাজ করতে হয়। ব্রা না পড়লে, স্তন ঝুলে পড়ে।

মেয়েরা ব্রা পরে, আমরা সবাই জানি।  স্বাভাবিক বিষয়। কিন্তু কোনো কারণে জামা'র ফাক দিয়ে সেটার একটা ব্রার স্ট্র্যাপ দেখা গেলে হলো, পারলে রাস্তার কুকুর পর্যন্ত হায় হায় করে উঠবে। আর জামা একটু পাতলা হয়ে পেছন থেকে ব্রা'র অস্তিত্ব দেখা গেলে তো কথাই নাই। শুধু ছেলেরা না, মেয়েদের পর্যন্ত বলতে শুনসি, ইশ! মেয়েটা কি বেহায়া! তাহলে সে কি করবে? ব্রা খুলে ফেলে দিবে? সেটা হজম করার মতো মানসিক উচ্চতা এই ব্রহ্মান্ডে কজনের আছে?

ধরলাম মেয়েদের বুক একটা সেক্সুয়াল অর্গান, যেটা দেখে বিপরীত লিঙ্গের মানুষ উত্তেজিত হয়ে যেতে পারে। সেটার উপর একটা পর্দা বা ওড়না দিলে কিন্তু জিনিসটার অস্তিত্ব বিলীন হয়ে যায় না, বরং একটা জিনিস স্পষ্ট হয়ে যায় যে এখানে এমন কিছু আছে যেটার দিকে তাকানো যাবে না। অথচ আমরা সবাই জানি সেখানে কি আছে।

বরঞ্চ যতো বড় ভলিউমের কাপড় দিয়েই প্যাচানো হোক না কেনো, আমার মনেহয় সেটার দৃশ্যমান অস্তিত্ব আরও বাড়বে, কমবে না। তারচেয়ে শুরু থেকে জিনিসটাকে সাধারণ একটা শারীরিক অঙ্গ হিসেবে বিবেচনা করলে কি বিষয়টা সহজ হয়ে যেত না?

খুব বেশি আগের কথা না, আমার বয়স যখন ৬/৭; গ্রামের বাড়িতে গেলে কিশোরীদের পোশাক ছিলো একটাই। শাড়ি। সেখানে ব্লাউজের কোনো বালাই ছিলো না। আঁচল বুকের কাছে প্যাচ দিয়ে পরা হতো, ব্রা তো বিশাল রকমের বিলাসিতা ছিলো সেখানে। মেয়েদের হাত থাকতো উন্মুক্ত। কই, তখন তো কাওকে জীবনে বলতে শুনলাম না, হাত দেখা যাওয়া খারাপ!

বিষয়টাতো বহুকাল আগে থেকে এভাবেই চলে আসছিলো। তাহলে হঠাৎ স্লিভলেস কাপড় এতো বেহায়া রকমের পোশাক হিসেবে স্বীকৃতি পেলো কিভাবে?

এই সমস্যার শুরুটা আসলে কোথা থেকে? আমি চিন্তা করে পাই না। এই দেশে এতো এতো শিশু ধর্ষণ হওয়ার পরও কি ধর্ষণ মেয়েদের পোশাকের কারণে হয়, এই রকম ছোটলোকি একটা কথা মেনে নিয়ে বসে থাকতে হবে? জিনিসটার শুরুই কি বিকৃত মানসিকতা থেকে না? 

যেখানে সাত মাসের শিশু পর্যন্ত বাঁচতে পারছে না, সেখানে আর কয়দিন মেয়েদের উপর দোষ চাপিয়ে আরামে থাকতে পারবে সবাই?

মেয়ের ব্রা পড়া কি দোষ? ব্রার ফিতা দেখা গেলে কি হয়


ব্রার ফিতা দেখানো vs  ছেলেদের কটুক্তি


মেয়েটি জামা পরলো, জামার ফাঁকে মেয়েটির
ব্রা ফিতা দেখা যাচ্ছে৷ প্রথমে মেয়েটির পুরো
বডি চোখের এক পলকে গিলে খেলাম৷

এরপর এখন খুঁজতে বের হলাম ব্রার কালারটা কি! হলুদ! কালো! ক্রিম কালার, নাকি লাল৷

মেয়েটি জামা পরছে৷ গরমে ঘামে শরীর ভিজে
গিয়ে ব্রা টা দেখা যাচ্ছে৷

আগের মতনই খুঁজতে বের হলাম ব্রার কালারটা কি!

মেয়েটি লুচ্চা,রাস্তার মাগী৷ তা না হলে কেউ ব্রা দেখিয়ে হাঁটে! বেয়াদব মেয়ে ইচ্ছে করেই ব্রার ফিতা বের করে হাঁটে৷

কি আপু! দেখা যাচ্ছে তো দেখে ফেলেছি, দেখে ফেলেছি মামা কালারটা কি! দেখ দেখ আমার জামার লগে ম্যাচিং৷

যারা এখন আমার লেখাটি পড়ছেন কেউ বলতে
পারবে না উপরের প্রতিটা কথার একটা শব্দ মিথ্যা৷

একটা মেয়ের নিজের অগোচরে যখন এইরকম ঘটনা
ঘটে তখন আমাদের মতন কিছু পুরুষরা তাকে চোখ দিয়ে ধর্ষণ করে মাগী ট্যাগ লাগিয়ে দেয়৷
আচ্ছা ব্রা দেখে আপনার এমন অর্গাজমের সুখ নিতে হবে কেন?

আপনি কি নিজে ব্রা পড়েন না?


ওহহ ওওওওও অবাক হলেন!
ভাইয়া আপনি যে মার্কেট থেকে সুন্দর সুন্দর
আন্ডারশার্ট কিনেন সেটা তো ব্রাই !!

আপনি টিশার্টের ভিতরে সেটা পড়েন দেখবেন
আপনারও ফিতা বের হয়ে থাকবে৷ তখন যদি আপনাকে কেউ বলে কিরে ব্রার ফিতা বের করে রাখছিস খানকির মতন!

উফসসসস গায়ে লাগবে তাইনা!
অবশ্য আপনাকে তখন খানকি বা বেশ্যা না বলে
কাপুরুষ বলতে হবে কারণ বেশ্যার বা খানকির পুরুষ লিঙ্গ নেই৷

রাস্তায় বের হলে গরমে থাকা যায় না৷ শুধু রাস্তা
না বাসায় ঢুকলেও মনে হয় দোজগে আছি৷ একজন ছেলে মানুষ গরমে পাগল হয়ে খালি গায়ে বসে থাকে৷ লুঙ্গি পরে বসে থাকে৷ রাস্তায় বের হলে জামাটা খুলে হাতে নিয়ে হাঁটতে পারে৷ জামার অর্ধেক উঠিয়ে বাতাস করতে পারে৷

তিব্র গরমে একজন নারী কি করে!


তারা কি শুধু জামা পড়ে! সাথে আরো কত কিছু
পড়ে৷ তাদের কি গরম লাগে না!
তবুও তারা সবসময় চায় কিভাবে নিজেকে শকুনের থেকে রক্ষা করবে৷ তারাও তো আপনার মতন খালি গায়ে হাঁটতে পারেনা তাই না!

ওওওওও আচ্ছা সে হাঁটবে কেনো!
যার গরমে ভেজা পিঠে ব্রা দেখলেই খানকি বলি
আর জামা খুললে তো সে বেশ্যার রাণী হয়ে যাবে৷ ভাই তাদের কে নিজের জায়গায় বসান৷
একটা বার নিজেকে তাদের অবস্থানে নিয়ে ভাবুন
প্লিজ৷

দৃষ্টি ভঙ্গি বদলান দেখবেন আপনার পুরো জীবন বদলে গেছে, সাথে বদলে যাবে পুরো সমাজের দৃষ্টিভঙ্গি৷


একজন মা-ই মেয়ের প্রধান শত্রু কেনো?


একজন মায়ের কোল জুড়ে যখন সন্তান আসে তখন মা থাকেন মহাখুশি।
যেদিন থেকে মেয়েটি সবার সামনে জামা খুলতে
পারেনা সেদিন থেকে বুঝতে পারে তার একটা
শরীর আছে এবং এটা কে ঢেকে রাখতে হবে।
তার সমবয়সী ছেলেটা খালি গায়ে ঘুরতে পারলেও সে পারবে না। কেন পারবে না সেই প্রশ্ন করলে তাকে বলা হয় সব কিছু জানতে হয় না, সময় হলে নিজেই বুঝবে।....

হাজারো প্রশ্ন মনের কোনে উকিঁ দিলেও
চুপ থাকে, কবর দিয়ে দেয় সে সব প্রশ্নের। আর
সেই থেকেই যেন প্রশ্ন করিলে উত্তর মিলিবে না
এমন একটি মনোভাব ধীরে ধীরে নিজের মধ্যে
স্থায়ী করে ফেলে।

পরবর্তী জীবনে বেশির ভাগ মেয়েই এই প্রশ্নের উত্তর খোঁজে না, কিংবা এড়িয়ে যায়। কারণ,
তারা বুঝে যায় এই প্রশ্ন করলে সমাজ মন্দ বলে। তারাও তাদের কন্যা সন্তানটিকে একই কথা শেখায় এই ভেবে, যেন সমাজ তার কন্যাটি কে মন্দ না বলে।

মেয়েরা প্রথম যৌন হয়রানির অভিজ্ঞতা পেয়ে থাকে নিকট কোন আত্মীয় থেকেই। মেয়েটা যত বড় হতে থাকে তার জীবনে নোংরা অভিজ্ঞতা তত বাড়ে। একটা মেয়েও খুঁজে পাওয়া যাবে কিনা সন্দেহ , যে কোন না কোন সময়ে তার শরীরে ঘিনঘিনে অনুভূতি টের পায়নি।

প্রায়ই দেখি ছেলেরা লিখে , আপুরা শোনেন, পর্দানশীল হোন, নিজেকে ঢেকে রাখুন, আপনাদের কারনে ছেলেরা নস্ট হচ্ছে ইত্যাদি ইত্যাদি।
আবার এই যে বাজারে যত ধর্ষন হচ্ছে, পত্রিকা
ব্যবসায়ীরা মেয়েটির ছবি নিয়ে মেয়েটির
চেীদ্দগোষ্ঠীর ঠিকানা নিয়ে, মেয়েটি কোন
পথে স্কুলে যেত, কোন গাড়িতে যেত, গাড়িতে
যাবার পথে ড্রাইভারের সাথে গল্প করত কিনা, বাসার সামনের চায়ের দোকানে যেত কিনা, ফ্লেক্সি কোথায় করত, প্যান্ট পড়ত কিনা, ব্রা পড়ত কিনা, জামার কাপড়টি পাতলা নাকি মোটা এসব নিয়ে নানান কথা নানান বাক শো (টকশো)।

আমি মনে করি, এখানে সমাজের পুরুষতান্ত্রিকতাই কেবল দায়ী নহে। নারীই নারীর প্রধান শত্রু। 

আপনি হয়ত ভাবতে পারেন কীভাবে? হ্যা, সেই ব্যাখ্যাতে গেলে দেখবেন, একজন মা’ই তার মেয়েকে আলাদা মনোভাবের তৈরি করার জন্য প্রথমত দায়ী। সেই আট বছর থেকেই শুরু করে দেয় একজন মা।

তুমি মেয়ে তুমি এটি করতে পার না, সেটি করতে পারনা, এখানে কথা বলনা, ওখানে কথা বলনা, ঐভাবে চলো না, এই জামা পরা যাবে না, এখন বাইরে যাওয়া যাবে না, তোমার আবার ছেলে বন্ধু কি? একজন মা’ই তার মেয়েকে একজন মেয়ে মানুষ রূপে তৈরি করে। যা অত্যন্ত দুঃখজনক।

মেয়েদের ব্রার ফিতা দেখলে ছেলেদের গরম হয়ে যায় কেনো



মেয়েদেরকে মেয়ে নয় মানুষ ভাবুন 


একজন মা যদি তাকে মানুষ ভাবতে দিত
তবে মেয়েটি মেয়ে মানুষ না হয়ে মানুষ হতো।
আর মানুষ হলে সে নিজের, পরিবারের, সমাজের এবং সর্বোপরি দেশের হতো।

আর একজন মেয়ে হলে সে তো হয় শুধু স্বামীর আর বাচ্চা পয়দার মেশিন।

যে কোন মেয়ের সাফল্যের গল্পটা পড়ে দেখেন , মেয়েটির পাশে তার পরিবার ছিল, তাকে মেয়ে মানুষ নয় বরং মানুষ হবার শিক্ষা দেয়া হয়েছে।
তাই সে জীবনে অনেক দুর এগিয়েছে।

আর দেরি নয়—এখন ঠিক এই মুহূর্ত থেকে আপনার কন্যা সন্তানটিকে মেয়ে রূপে নয়, তাকে মানুষ ভাবা শুরু করুন।

আজ আপনার ঘর থেকে শুরুটা হলে এক এক
করে সব ঘরে ছড়িয়ে পড়বে এ আমার দৃঢ় বিশ্বাস।

মেয়েরা ব্রা পড়ে কেনো, ব্রার ফিতা দেখানো মানেই কি মেয়েটি বেশ্যা


শুধু কি গোপন অঙ্গ ঢাকার জন্য ব্রা পড়তে হয়?


নারীরা শরীরের কোন অঙ্গ গোপন করার জন্য ব্রা বা ব্রেসিয়ার পরিধান করেনা, একইভাবে পুরুষেরাও আন্ডার ওয়ের পরিধান করেনা তাদের গোপন অঙ্গ ঢাকার জন্য। যেই পোশাকটি আমি আপনি প্রতিদিন সবাই পরিধান করে আছি, তা দিয়েই তো শরীরের গোপন অঙ্গ সহ বেশীরভাগ অঙ্গ সব ঢাকা পরে, তারপরেও আমরা বাড়তি একটা কাপড় কেন পরি? আমার ছোট্ট মাথায় উত্তরটা সিম্পল।

পুরুষেরা আন্ডার ওয়ের কেনো পড়ে?


পুরুষেরা আন্ডার ওয়ের পরেন যেন কোন কারণে প্রসাবের ফোঁটা পড়ে তিনি যেই প্যান্টটি পরিধান করে আছেন, তা যেন নষ্ট না হয় , তাতে তিনি যেন মানুষের সামনে বিব্রত না হোন , চামড়ায় কোন ভাবে যেন ব্যাথা না পান এবং সাথে বাইরে থেকে বডি সেইপ যেন প্রেজেন্ট্যাবল, ঠিক-ঠাক সুশীল, পরিছন্ন লাগে, যাতে বিব্রত বোধ না করেন। আবার অনেকে নিজের নুনু ভুতি বেশি হওয়ার জন্য বিভিন্ন কর্মক্ষেত্রে নিজের মানসম্মান রক্ষা করার জন্যেও পড়ে থাকেন।

কোন মেয়েরা ব্রার ফিতা দেখায়



সুতরাং, একই ভাবে নারীরা যে ব্রা পরিধান করছেন, তিনি যেই পোশাকটি পরে আছেন তাতে সাপোর্ট দেয়ার জন্য, যাতে তিনি যেই পোশাকটি গায়ে পরিধান করেছেন, তা বাইরে থেকে দেখতে ভালো লাগে, বডি সেইপ যেন দেখতে কটু বা অশালীন না লাগে। আফটার অল, আমরা সবাই তো যেকোনো পোশাকই পরিধান করি না কেন, প্রথমত লজ্জা নিবারনের জন্য, দ্বিতীয়ত দেখতে ভালো লাগার জন্য।

এখন, আমার প্রশ্ন হচ্ছে, এই ব্রা যেখানে পোশাকের শুধুই একটি অংশ সেখানে কোন নারী পরিধান করা অবস্থায় ব্রা এর ফিতা বা ব্রা এর কোন অংশ কোন কারণে দেখা গেলে বা বের হয়ে গেলে বা কেও বের করে রাখলে এতো কানাঘোষা, হাসাহাসি, মন্দ কথা, টিটকারি করার মানে কি?

আর এইটি শুধুমাত্র এই সাউথ এশিয়া উপমহাদেশের দেশগুলোতেই হয়, পৃথিবীর অন্য কোন দেশে ব্রা এর ফিতা বের হয়ে থাকলে এতো বাজে কথা বা সমালোচনা শুনতে হয়না যে, `দেখ দেখ ঐ মেয়েটার না ব্রা এর ফিতাটা বের হয়ে আছে, বাজে মেয়ে। (বাজে মেয়ের লেবেল লাগিয়ে দিলাম), অথবা ভাবী, আপনার না ব্লাউজ এর ভিতর দিয়ে ব্রা বের হয়ে আছে।

আমি অশিক্ষিত মানুষগুলোর দোষ দিবো না কারণ তারা জানেই না পৃথিবী কোন গতিতে চলছে, নাই কোন ধরনের জ্ঞান, কিন্তু শিক্ষিত সমাজের শিক্ষিত মানুষগুলো? উনাদের মস্তিষ্ক কেন এক জায়গায় আটকানো?

ভাবতে পারেন, আমাদের Thought Process আমরা কোন দিকে Divert করছি? আমদের কি নিজেদের ঐ Power নেই যে আমাদের মস্তিষ্ক কে ট্রেইন করবো যে ব্রা বা আন্ডার ওয়ের শুধুই আমাদের নিত্যদিনের পোশাকের একটি অংশ, অন্যান্য প্যান্ট শার্ট, জামা, উরনা, শাড়ী এর মতো? কেন, ফিতা না বের হয়ে থাকলে কি আপনি আমি জানতাম না যে ঐ নারীটি ব্রা পরে আছে কি নেই? বা আন্ডার গার্মেন্টস পরে আছে কি নেই?

 

বিঃ দ্রঃ খোলামেলা পোশাক পরা আর ব্রা, এই দুইটি ভিন্ন টপিক , দুইটি কে মিলিয়ে আমার পোস্ট এর বিষয়বস্তুকে গুলিয়ে ফেলবেন না আশা করি। ব্রা শুধুমাত্র পোশাকের অংশ (Bra Just A Part of  Our Outfit)



এই আর্টিকেল টি সম্পূর্ণ পড়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ, এই আর্টিকেল যদি বুঝতে কোন অসুবিধা হয় অথবা কোনো প্রশ্ন থাকে তাহলে অবশ্যই নিচের কমেন্ট বক্সে কমেন্ট করুন, যথাক্রমে সকল কমেন্টের উত্তর দেওয়া হবে। আর নতুুন কিছু জানার থাকলে আমাদের জানান, আমরা সে-সব জানানোর চেস্টা করবো আমাদের সাথে যোগাযোগ


স্বীকারোক্তিঃ UipOka তে উপস্থাপিত সকল তথ্যই দক্ষ ও অভিজ্ঞ লোক দ্বারা ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহ করা। যেহেতু কোন মানুষই ভুলের ঊর্দ্ধে নয় সেহেতু আমাদেরও কিছু অনিচ্ছাকৃত ভুল থাকতে পারে। সে সকল ভুলের জন্য আমরা আন্তরিকভাবে ক্ষমাপ্রার্থী।

About the Author

উইপোকা ব্লগে বিভিন্ন শিক্ষামূলক, বিসিএস প্রস্তুতি, সকল চাকরির সার্কুলার পোস্ট করা হয়। প্রতিটি ব্লগ পোস্টের মাধ্যমে, আমরা একটি ক্রমবর্ধমান অনলাইন ওয়েবসাইট তৈরি করার জন্য কাজ করছি।

إرسال تعليق

ব্যাকলিংক পাওয়ার উদ্দেশ্য নিয়ে কোন কারণ ছাড়া লিংকিং কমেন্ট করা হলে সেই সকল কমেন্ট অনুমোদন করা হবে না। তবে যুক্তিসঙ্গত কারনে লিংলিংক কমেন্ট করলে সেগুলো যাচাই বাছাই করার পর অনুমোদন করা হবে। তাছাড়া আমরা সবসময় জিরো স্প্যামিং নীতি অনুসরণ করি।উইপোকার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ

স্বীকারোক্তি

এই ওয়েবসাইটে উপস্থাপিত সমস্ত তথ্য ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহ করা হয়। পোস্ট লেখার সময় অসাবধানতাবশত আমাদের অনিচ্ছাকৃত ভুল হতে পারে। যেকোনো অপ্রীতিকর ভুলের জন্য আমরা আন্তরিকভাবে ক্ষমাপ্রার্থী এবং কোনো প্রকার ভুল তথ্যের জন্য UiPoka.Com দায়ী নয়।

আপনি যদি কোনো ভুল তথ্য দেখতে পান তাহলে অবিলম্বে আমাদের জানান। আমরা দ্রুত এটি ঠিক করার চেষ্টা করবো। অভিযোগ করতে এখানে ক্লিক করুন

Cookie Consent
We serve cookies on this site to analyze traffic, remember your preferences, and optimize your experience.
Oops!
It seems there is something wrong with your internet connection. Please connect to the internet and start browsing again.
AdBlock Detected!
We have detected that you are using adblocking plugin in your browser.
The revenue we earn by the advertisements is used to manage this website, we request you to whitelist our website in your adblocking plugin.
Site is Blocked
Sorry! This site is not available in your country.