আধুনিক প্রেম এবং তার শেষ পরিনতি, একজন ধর্ষিতার গল্প | Modern love and its ending, the story of a rapist

মানুষ এতটাও নির্দয় আর পশুর থেকেও নিকৃষ্ট হতে পারে তা পলাশকে না দেখলে বুঝতেই পারতাম না। হায়েনার মতো আমার ক্লান্ত দেহটা খুবলে খেয়ে পাশেই শুয়ে রইলো। সাগর
Please wait 0 seconds...
Scroll Down and click on Go to Link for destination
Congrats! Link is Generated
আস্‌সালামু আলাইকুম! আশা করি আল্লাহ এর অশেষ রহমতে আপনারা সবাই ভালো আছেন।আমিও আপনাদের দোয়াই ভালো আছি। আজ আপনাদের কাছে একটা নতুন আর্টিকেল নিয়ে হাজির হয়েছি। তাই কথা না বাড়িয়ে চলুন সরাসরি আর্টিকেলটির মুল অংশে প্রবেশ করি। আজকের আর্টিকেল এর মূল বিষয় হলোঃ

আধুনিক প্রেম এবং তার শেষ পরিনতি,  একজন ধর্ষিতার গল্প | Modern love and its ending, the story of a rapist

আধুনিক প্রেম এবং তার শেষ পরিনতি,  একজন ধর্ষিতার গল্প | Modern love and its ending, the story of a rapist


গায়ের উপর থেকে উঠে গেল সাগর। তখনও আমি ঘোরের মাঝেই আছি। আমি কিছুই ভাবতে পারছি না এই মুহূর্তে। এতটুকু সময়ের ব্যবধানে এটাও হয়ে গেল! কিছু সময় পর সাগর আবার রুমে এসে বললো,
-- শিলা, পলাশ তো আমাদের ব্যপারে সবকিছুই জেনে ফেলেছে। এখন ও বলছে ওকেও সুযোগ না দিলে ও নাকি সবাইকে কথাটা বলে দেবে। শিলা তুমি বুঝতেই পারছো যে কথাটা বাইরে গেলে তোমার কি হবে! সাথে আমাকেও! আমি এখন কি করবো বলো? 

সাগরের কথায় বিন্দুমাত্র কিছু মনেই হলে না আমার। অথচ, এটা আকাশ থেকে পড়া বজ্রের মতো ভয়ানক একটা কথা। 
সাগর আমার উত্তরের অপেক্ষা না করেই আবার বললো,
-- আমি পলাশকে পাঠিয়ে দিলাম কেমন? বেশি সময় লাগবে না। আর ওকে কথা দিয়ে নিয়েছি যেন কাউকে না বলে। 
কথাটি বলেই সাগর রুম থেকে বেরিয়ে গেল। আর আমি সেখানেই মরা মানুষের মতো পড়ে রইলাম। একটু পরই পলাশ রুমে এলো। 
মানুষ এতটাও নির্দয় আর পশুর থেকেও নিকৃষ্ট হতে পারে তা পলাশকে না দেখলে বুঝতেই পারতাম না। হায়েনার মতো আমার ক্লান্ত দেহটা খুবলে খেয়ে পাশেই শুয়ে রইলো। সাগর আর পলাশের খামচিতে পুরো শরীরটাই প্রায় কেটে গেছে। রক্তও বের হচ্ছে। অথচ আমার চোখ দিয়ে একফোঁটাও জল পড়ে নি। তিনটে ঘন্টার মাঝে এতকিছু হয়ে যাবে কে জানতো!

ঘন্টা খানেক পর সাগর এসে ফ্লোর থেকে আমার জামাটা মুখের উপর দিয়ে বললো,
-- এখনও শুয়ে আছো? ফ্রেশ হয়ে রেডি হয়ে নাও তোমাকে তো মেসে ফিরতে হবে। 

শরীরটা আমার এতটাই ব্যথা হয়েছে যে আমি উঠতেই পারছি না। তবুও শরীরের সমস্ত শক্তি দিয়ে উঠে কোন রকমে জামাকাপড় নিয়ে ওয়াশরুমে গেলাম। আয়নায় নিজেকে দেখেই ভয় করছে। ঠোঁট টা কেটে গেছে কয়েক জায়গায় সাথে সারা মুখটাই ফুলে গেছে। কোন রকমে মুখটা ধুয়ে বাইরে চলে এলাম। সাগর বললো,
-- শিলা, যা হয়েছে তার জন্য আমি দুঃখিত। আসলে এতকিছু হয়ে যাবে তা কল্পনাও করতে পারি নি। 
আমি কোন কথা বললাম না। সাগর আমাকে রিক্সায় তুলে দিলো। ওর বন্ধুর ফ্ল্যাট থেকে আমার মেস বেশি দূরেও না। এই মিনিট দশেক লাগে। 
রিক্সায় বসে থাকতে প্রচণ্ড কষ্ট হচ্ছে তবুও শেষ শক্তি দিয়ে চেষ্টা করে যাচ্ছি ভালভাবে মেসে ফেরার। রিক্সাটা মেসের সামনে এসেই থামলো। আমি রিক্সা থেকে নেমে রুমের দিকে হাঁটা দিলাম। রুমে ঢুকতেই আমাকে দেখে তমা প্রায় চিৎকার দিয়েই বললো,
-- এ কী ! কী হয়েছে তোর? 
-- তেমন কিছু না রে। রিক্সা থেকে মাথা ঘুরে পড়ে গেছিলাম। 
-- একটু সাবধানে চলতে পারিস না? বেশি কিছু হয় নি তো?
-- না রে তেমন কিছু হয়নি শুধু মুখে একটু চোট লেগেছে। 
-- যা রেস্ট নে এখন। 
-- হু। 
তমা রুম থেকে বের হতেই আমি ওয়াশরুমে চলে এলাম। শাওয়ার ছেড়ে দিয়ে ভাবছি,
আমি তো এটা চাই নি। সাগর আমার সাথে এমন করলো! ও একা করতে পারতো তাই বলে বন্ধুকে দিয়েও! 

 আধুনিক প্রেম এবং তার শেষ পরিনতি,  একজন ধর্ষিতার গল্প


মরে যেতে ইচ্ছে করছে আমার। তবে আমাকে যে মরলে হবে না৷ সাগর আমার ভালোবাসা, বিশ্বাস নিয়ে খেলা করেছে ওর ফল তো ভোগ করতেই হবে। 

.রাত প্রায় দুইটা বাজে। প্রতিদিন এই সময়ে হয় ঘুমিয়ে যাই আর না হয় সাগরের সাথে ফোনে কথা বলি। তবে আজ তার কিছুই হচ্ছে না। আঁধারে চুপচাপ শুয়ে আছি। 

সাগরের সাথে আমার পরিচয় প্রায় তিন বছরের মতো হবে। আমি এই মেসে আসার পর থেকেই আমাকে ফলো করতো। এক সময় জানলাম আমাদের ভার্সিটিরই এক বছরের সিনিয়র সে। ছেলে হিসেবেও ভাল। সাথে পড়াশোনা, ব্যবহার সব কিছুই ভাল ছিল ওর। প্রায় মাস কয়েক পরেই আমাকে প্রপোজ করে ও। কয়েকবার ইচ্ছে করেই মানা করেছিলাম ওকে যাচাই করতে। তবে পরে দেখলাম যে নাহ, ওর ভালোবাসায় কোন ত্রুটি নেই। এই তিনটা বছরে ওর ভালোবাসা দেখে আমি নিজেই অবাক হতাম৷ একটা ছেলে এতটা ভাল কি করে হতে পারে! আমি না চাইলে কখনোই আমার গায়ে হাতও দিতো না। আমি নিজেই নিজেকে বলতাম, আমি কতটা ভাগ্যবতী যে সাগরকে পেয়েছি। আজকালের যুগে এমন ভাল ছেলে হয়?
 
খুবই বিশ্বাস করতাম ওকে। তাইতো কয়েক দিন আগে যখন ওর বাসায় ঘুরতে যাওয়ার কথা বললো তখন আর না করিনি। ভেবেছিলাম যাকে ভালোবাসি তাকে এতটুকু বিশ্বাস করাই যায়৷ আমি বুঝতেই পারিনি সাগর আমাকে কোন কারণে ডেকেছে। ওর বন্ধু পলাশের বাসায় নিয়ে গেল। একটু কাছে আসার পরই হঠাৎ সাগরের কি হলো আর আমাকে জড়িয়ে ধরে নোংরামি করার চেষ্টা করতে শুরু করলো। অনেক বললাম, বুঝালাম তবে সাগর মানতে নারাজ। ভালোবাসার দোহাই দিলো তবুও আমি না বললাম। ভালেবাসি বললাম তবুও লাভ হলো না৷ আমি তো আসলেই ওকে ভালোবাসতাম। ভালোবাসার মানুষকে কি এভাবে নষ্ট করতে হয়? এভাবেই পতিতার মতো করেই খুবলে খেতে হয়? যেন মনে হলো টাকা দিয়ে ভাড়া করা কোন এক পতিতাই আমি। আর সাগর টাকা উসুল করতেই আমার উপর এতটা নির্দয়। কিন্তু, ভালোবাসাকে কেউ যে বন্ধু দিয়েও ভোগ করায় এটা জানা ছিল না৷ আর পলাশ! সে না আমাকে বোন বলতো! অথচ সামান্য কয়েক মিমিটের লালসা মেটাতে সেও হায়েনার মতো ঝাঁপিয়ে পড়তে একটুও দ্বিধা করলো না? 

মনের ভেতর থেকে কে যেন বলছে,
কলঙ্কীনী, তুই মরে যা। তোর বাঁচার কোন অধিকার নেই। তবে আমার যে পরাজিত হলে চলবে না৷ আমার বাঁচতে হবে, হ্যাঁ বাঁচতেই হবে। এসব আমার পরিবার জানলে আমার 
বাবা- মায়ের সম্মান যাবে। আমি চাইনা আমার জন্য তারা কষ্ট পাক। তবে যার জন্য আমার এই অবস্থা তাকেও আমি ভাল থাকতে দেবো না।কখনোই না। 

নিজেকে বেশ শক্ত করে ঘুমানোর ব্যর্থ চেষ্টা করতে লাগলাম আর মনে মনে ঠিক করলাম, সাগরকে ওর প্রাপ্য বুঝিয়ে দিতেই হবে। 

.শরীরের ব্যথার কারণে কয়েকটা দিন মেস থেকে ইচ্ছে করেই বের হইনি তবে সাগরের সাথে ঠিকই কথা বলেছি। ও হয়তো আমার এমন আচরণে আশ্চর্য হয়েছে। কারণ এতকিছুর পরও কেউ ভাল ব্যবহার করবে না এটাই সত্য। তবুও আমি ওর সাথে আগের মতোই কথা বলছি। 

.সপ্তাহ খানেক পরই সাগরের সাথে দেখাও করলাম। ও আমার কাছে মাফ চাইলো। আমি হাসিমুখেই মাফ করে দিয়ে বললাম,
-- যা হওয়ার হয়ে গেছে এ নিয়ে কেউ আর কোন কথা বলবো না। তবে আমাকে বিয়ে করতে হবে তোমার। 
সাগর ইনিয়ে বিনিয়ে অনেক কথা বললো। বুঝে নিলাম বিয়ে করবে না শুধু ভোগ করার জন্যই আমাকে ভালোবাসা। আমি ওকে বললাম,
--সমস্যা নেই যেদিনই হোক বিয়ে করলেই হবে, জোর করবো না। 
আমার কথায় সাগর খুশি হয়েছিল খুব। 

 একটি ধর্ষিতার জীবনের করুন ইতিহাস,  একজন ধর্ষিতার গল্প


এরপর থেকেই সাগরের সাথে আমি একটু বেশিই অন্তরঙ্গ হয়ে গেলাম৷ ওর চাহিদাও বাড়তে লাগলো। আমি বাঁধা দিতাম না। সাগর প্রচণ্ড খুশি ছিল এতে। বুঝলাম ও এটাই চায়। আমাকে খুব বেশিই কেয়ার করা শুরু করলো। বুঝলাম ভালোবাসা মানেই দেহ, দেহ ছাড়া ভালোবাসা হয় না, কখনোই না। মনকে ভালোবাসা শুধুই এক তরফা ভালোবাসা। 

.এসবের মাঝেই সাগর আবার আমাকে পলাশদের ফ্ল্যাটে নিয়ে যায়। এবার আর বাঁধা দেইনি। বেশ্যাদের পতিতালয়ে যেভাবে খুবলে খায় টাকার দামে ঠিক সেভাবেই আবারও আমাকে খুবলে খায় সাগর। আমি হাসিমুখে সব সহ্য করেছি। আমি তো শুধু একটা সুযোগ খুঁজছিলাম এসবের মাঝেই। মোক্ষম একটা সুযোগ। 

.কয়েক মাসের মাঝেই সাগরের সাথে আমার বেশ কয়েকবার শারীরিক সম্পর্ক হয়ে যায়৷ আমি ওর কথায় একটা বারও না করি নি। আমাকে ও ব্যবহার করার জন্যই ভালোবেসেছে। তবে আমি অবাক হই এটা ভেবে যে, এতটা ভাল ছেলে কি করে এসব করে। তবে কি ওর ভালোর নাটক করাটা আমাকে ব্যবহার করার জন্যই ছিল? তবে আমার সাথে যা হওয়ার হয়েছে। সাগরের কারণে এমন যেন আর কারও সাথে না হয় সেই ব্যবস্থা আমাকেই করতে হবে।

.সাগর ইদানিং আমাকে ছাড়া আর থাকতেই পারছে না তাইতো কয়েকদিন যেতে না যেতেই আজ আবার বললো,
-- শিলা, এভাবে কি ভালোলাগে বলো? একটা রাত আমার সাথে কাটাবে? আমি তো তোমাকে বউয়ের চেয়ে কম ভালোবাসি না। 
আমি না করি নি ওর কথায়। শুধু বলেছিলাম সময় হলে থাকবো। 

সময় হয়ে এলো। সাগরকে কথাটা বলতেই ওর সে কি খুশি! আমিও খুব খুশি ছিলাম। 
বিকেলে তমাকে বললাম যে, আমার এক আত্মীয়র বাড়ি যাচ্ছি আজ আর মেসে ফিরবো না। তারপর মেস থেকে বের হতেই দেখি সাগর দাঁড়িয়ে আছে রিক্সা নিয়ে৷ আমাকে দেখেই সুন্দর একটা হাসি দিলো। আমিও দিলাম৷ 

.সাগরের হয়তো তর সইছিল না তাই রুমে ঢুকতে না ঢুকতেই আমার উপর ঝাঁপিয়ে পড়লো। আমিও বাঁধা দিলাম না। আমিও তো এটাই চাই। আমিও যে সুযোগের অপেক্ষায় আছি। 

.সাগর ওর উলঙ্গ ক্লান্ত দেহটা বিছানায় এলিয়ে দিয়ে শুয়েছিল। আমি উঠে এসে কোল্ড ড্রিংসের সাথে কেনা অজ্ঞান করার ঔষধটা ভালোভাবেই মিশিয়ে নিলাম। ডোজটা বেশি দেইনি। বেশি দিলে আবার মরেও যেতে পারে। কিন্তু আমি যে ওকে এত সহজে মরতে দেবো না। ওকে আমি ভালোবেসে মারবো। 

ধর্ষিতা এবং ধর্ষকের নির্মম ইতিহাস


.গ্লাসের সবটুকু ড্রিংকস খেয়ে আমাকে জড়িয়ে ধরে শুয়ে রইলো সাগর। আমিও অপেক্ষা করতে লাগলাম, যে সময়ের অপেক্ষা করতেই বেঁচে আছি। 

.কখন যে ও ঘুমিয়ে গেছে টেরই পাইনি আমি। যখন ওর দিকে তাকালাম দেখলাম ও ঘুমে তলিয়ে গেছে। মুচকি হেসে ওর হাতটা আমার গা থেকে সরিয়ে দিলাম। আপাতত কয়েক ঘন্টার  মধ্যে ও আর উঠবে না। তবে ডাকলে জেগে যাবে। গায়ে ওড়নাটা কোন রকমে জড়িয়ে ব্যাগ থেকে কেনা চাকুটা বের করলাম। তারপর দরজা খুলে বাইরে আসতেই দেখি পলাশ টিভি দেখছে। আমাকে দেখেই শকুনের মতো চোখটা শরীরের দিকে দিয়ে বললো,
-- আজ আমাকেও খুশি করতে হবে। 
আমি মুচকি হেসে বললাম,
-- সাগর ঘুমায়৷ আমাকে একটু হেল্প করবে কী?
-- কি করতে হবে?
-- এই ড্রিংকস টা খাও তারপর আমি এসে বলছি। 
-- দাও। 
আমি ড্রিংকস দিতেই পলাশ পুরোটা খেয়ে বললো,
-- তাড়াতাড়ি  বলো। 
-- একটু পর বলছি। 
-- আচ্ছা।

আমি রুমে এসে সাগরকে আরেকবার দেখে নিলাম। ও মরার মতোই ঘুমাচ্ছে। কি সুন্দর লাগছে ওকে দেখতে। ওকে দেখে মনেই হয় না যে ও এতটাও জঘন্য মনের হতে পারে। তবে উপরের আচরণ দেখে যে মানুষ চেনা যায় না তা বুঝেছি।

সাগরের পাশে একটু সময় বসে থেকে উঠে আবার বাইরে এলাম। পলাশের ডোজটা অনেক বেশিই ছিল তাই ও সোফাতেই দেখলাম ঘুমিয়ে গেছে। ওড়নার আড়াল থেকে চাকুটা বের করলাম। চকচক করছে খুব। এই চাকু আর ঔষুধ কিনতে আমি আমার মায়ের দেয়া দুলটাই বিক্রি করেছি। 

.গায়ের জোরে চাকুটা চালাতেই পলাশের পায়ের রগটা কেটে গেল! ও শুধু খানিকটা নড়ে উঠলো। 
আমি ওকে কষ্ট দিয়ে মারতে চাই না। তাইতো ওকে ঘুমের দেশে আগেই পাঠিয়ে দিয়েছি। তবে এই শাস্তিটা ওর প্রাপ্য। যেই আমি ঈদের সময় পশুর রক্ত দেখে ভয় পেতাম আর আজ সেই আমিই একটা মানুষকে কেটে টুকরো টুকরো করছি ভাবতেই এক পৈশাচিক আনন্দ লাগছে। 

.ওড়না দিয়ে চাকুটা মুছে ঘরে চলে এলাম। সাগর এখনও ঘুমিয়েই আছে। ব্যাগ থেকে রশি বের করে ওর হাত-পা সুন্দর করে বেঁধে মুখটাও বেঁধে দিলাম। ও খানিকটা নড়েচড়ে উঠলো। আমি ওকে জোরে ধাক্কা দিতেই চোখ খুললো। তবে কিছু বুঝে উঠতে পারলো না। ঘুমের নেশাটা কাটেনি তো, হয়তো তাই। 

ওর যে হাত-পা  বাঁধা তা বুঝানোর জন্যই ব্যাগ থেকে মরিচের গুঁড়ো বের করে ওর চোখে হালকা করে ছিটিয়ে দিলাম। সাগর গা ছড়াছড়ি করতে শুরু করলো। ওর এমন কষ্ট দেখে আমার খুব আনন্দ লাগছে। এতটা লাগছে যে, আমি বলেও বুঝাতে পারবো না৷ ওর চোখ দিয়ে পানি বের হচ্ছে অনবরত। কিছু সময় পর ও বুঝে গেল যে ওর হাত-পা বাঁধা। ওর ঘুম কেটে গেছে একদম। ওকে টেনে খাট থেকে নামিয়ে ঘরের বাইরে টেনে আনলাম। ফ্লোরে রক্ত আর পাশেই মাথা, হাত আর লিঙ্গবিহীন পলাশের দেহটা দেখে নিজেকে বাঁচানোর জন্য আপ্রাণ চেষ্টা শুরু করে দিয়েছে সাগর। আমি হাসলাম। ওর বাঁচার জন্য এত চেষ্টা দেখে মায়াই লাগছে আমার। 

চাকুটা দিয়ে ওর বুকে কয়েকটা টান দিলাম। গরুর যেমন চামড়া উঠায় সেভাবেই খানিকটা চামড়া তুলে ফেললাম। সাগর গড়াগড়ি শুরু করে দিলো। মুখ বাঁধার কারণে বেচারা মন খুলে চিৎকারও করতে পারছে না। প্যাকেট থেকে মরিচের গুঁড়ো বের করে সেখানে লাগিয়ে দিতেই ও কাটা মুরগির মতো ছটফট করতে শুরু করলো। ফ্লোর আবার রক্তে মাখামাখি হয়ে গেল। আমি সাগরের চোখের দিকে তাকালাম। ও খুব করে বলতে চাচ্ছে, 
--শিলা, আমাকে মেরো না, আমি তোমার কাছে প্রাণ ভিক্ষা চাই। তবে না। ওকে ওর প্রাপ্য দিতেই হবে। আমি তো ওকে ভালোবেসেছিলাম, বিশ্বাস করেছিলাম, আর ও ? নিজে আমাকে ধর্ষন করলো আবার বন্ধুকে দিয়েও করালো! এই কি ভালোবাসার মূল্য? 

এমন মানুষের বাঁচার কোন অধিকার নেই। ভেতরটা আমার জ্বলে উঠলো। পাগলের মতো ওর বুকে অনবরত চাকু চালাতে লাগলাম। আমার শরীরটা ওর রক্তে মাখামাখি হয়ে গেল। কত সময় ওর বুকে চাকু চালিয়েছি ঠিক মনে নেই। তবে আমার শেষ শক্তি থাকা অবধি চালিয়ে গেছি। 
ক্লান্ত হয়ে ওর দিকে তাকালাম। ওর বুকের ভেতরটা দেখা যাচ্ছে। কলিজা ছিঁড়ে বেরিয়ে গেছে।  চোখ একটা উপড়ে পড়ে গেছে। পেটটা একদম কেটে নাড়িভুঁড়ি সব বেরিয়ে গেছে। গলাটাও প্রায় আলাদা। 
সাগরের নিথর দেহটা দেখে নিলাম। ইশ, মায়া হচ্ছে খুব৷ এখনও দেখে মনেই হচ্ছে না যে ও এতটাও জঘন্য হতে পারে। 

. জোছনা রাত। একা একাই রাস্তা দিয়ে হাঁটছি। একটুও ভয় করছে না। দু'হাত উঁচু করে বুক ভরে কয়েকবার নিঃশ্বাস নিলাম। আহ, অনেকদিন পর নিজেকে হালকা মনে হচ্ছে।
 এক'পা এক'পা করে হাঁটা শুরু করলাম। 

.বিকেল প্রায় চারটা বাজে। ভাড়াটিয়াদের মাধ্যমে পুলিশ এসে দেখলো একই ঘরে দু'টো লাশ। লাশ দু'টোই জঘন্য ভাবে কাটা হয়েছে। তবে সবাই অবাক হয়ে দেখলো দেয়ালে বড় করে রক্ত দিয়ে লেখা,

" ভালোবাসার উপহার যদি ধর্ষন হয়, তো আমি সেই ধর্ষককে মৃত্যু উপহার দিয়েছি। আমি ধর্ষিতা বলছি"



এই আর্টিকেল টি সম্পূর্ণ পড়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ, এই আর্টিকেল যদি বুঝতে কোন অসুবিধা হয় অথবা কোনো প্রশ্ন থাকে তাহলে অবশ্যই নিচের কমেন্ট বক্সে কমেন্ট করুন, যথাক্রমে সকল কমেন্টের উত্তর দেওয়া হবে। আর নতুুন কিছু জানার থাকলে আমাদের জানান, আমরা সে-সব জানানোর চেস্টা করবো আমাদের সাথে যোগাযোগ


স্বীকারোক্তিঃ UipOka তে উপস্থাপিত সকল তথ্যই দক্ষ ও অভিজ্ঞ লোক দ্বারা ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহ করা। যেহেতু কোন মানুষই ভুলের ঊর্দ্ধে নয় সেহেতু আমাদেরও কিছু অনিচ্ছাকৃত ভুল থাকতে পারে। সে সকল ভুলের জন্য আমরা আন্তরিকভাবে ক্ষমাপ্রার্থী।

About the Author

উইপোকা ব্লগে বিভিন্ন শিক্ষামূলক, বিসিএস প্রস্তুতি, সকল চাকরির সার্কুলার পোস্ট করা হয়। প্রতিটি ব্লগ পোস্টের মাধ্যমে, আমরা একটি ক্রমবর্ধমান অনলাইন ওয়েবসাইট তৈরি করার জন্য কাজ করছি।

Post a Comment

ব্যাকলিংক পাওয়ার উদ্দেশ্য নিয়ে কোন কারণ ছাড়া লিংকিং কমেন্ট করা হলে সেই সকল কমেন্ট অনুমোদন করা হবে না। তবে যুক্তিসঙ্গত কারনে লিংলিংক কমেন্ট করলে সেগুলো যাচাই বাছাই করার পর অনুমোদন করা হবে। তাছাড়া আমরা সবসময় জিরো স্প্যামিং নীতি অনুসরণ করি।উইপোকার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ

স্বীকারোক্তি

এই ওয়েবসাইটে উপস্থাপিত সমস্ত তথ্য ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহ করা হয়। পোস্ট লেখার সময় অসাবধানতাবশত আমাদের অনিচ্ছাকৃত ভুল হতে পারে। যেকোনো অপ্রীতিকর ভুলের জন্য আমরা আন্তরিকভাবে ক্ষমাপ্রার্থী এবং কোনো প্রকার ভুল তথ্যের জন্য UiPoka.Com দায়ী নয়।

আপনি যদি কোনো ভুল তথ্য দেখতে পান তাহলে অবিলম্বে আমাদের জানান। আমরা দ্রুত এটি ঠিক করার চেষ্টা করবো। অভিযোগ করতে এখানে ক্লিক করুন

Cookie Consent
We serve cookies on this site to analyze traffic, remember your preferences, and optimize your experience.
Oops!
It seems there is something wrong with your internet connection. Please connect to the internet and start browsing again.
AdBlock Detected!
We have detected that you are using adblocking plugin in your browser.
The revenue we earn by the advertisements is used to manage this website, we request you to whitelist our website in your adblocking plugin.
Site is Blocked
Sorry! This site is not available in your country.