ইরিটাবল বাওয়েল সিন্ড্রোম বা আইবিএস রোগ কাকে বলে? আইবিএস রোগের লক্ষণ ও চিকিৎসা পদ্ধতি কি?
কারণ ছাড়াই খাওয়া ঠিক মতো হজম হয় না, মাঝে মাঝে ব্যথা, পেটে গ্যাস এবং পায়খানার সমস্যা। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় একে বলা হয় ইরিটাবল বাওয়েল সিন্ড্রোম (আইবিএস)।
চিকিৎসকদের কাছে পরিপাকতন্ত্রের এরকম সমস্যা নিয়ে বহু রোগী আসেন। এই রোগকে সহজ বাংলায় দীর্ঘময়োদী আমাশয় বা বিরক্তিকর পেটের সমস্যা বলা যেতে পারে।
বিশ্বে শতকরা ১১ জন এই রোগ ভুগে থাকেন। মহিলারা পুরুষদের তুলনায় সামান্য বেশি আক্রান্ত হয়ে থাকেন। যদিও যে কোনো বয়সের মানুষই আইবিএস’য়ে আক্রান্ত হতে পারেন। তবুও কিশোর বয়সে বা বয়ঃসন্ধিকালে আইবিএস বেশি হয়ে থাকে এবং ৫০ বছর বয়সের পর এ রোগের প্রাদুর্ভাব কিছুটা কমে।
আইবিএস রোগের লক্ষনঃ
এই রোগের লক্ষণগুলো রোগীভেদে বিভিন্ন রকম হতে পারে। অনেক সময় অন্য রোগের মতো বলে মনে হয়। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি দেখা যায়:
- পেটে ব্যথা (সাধারণত খাবার পর পেট কামড়িয়ে ব্যথা হয় এবং পায়খানা হওয়ার পর আরাম বোধ হয়)।
- পেট ফোলা ফোলা অনুভূত হওয়া।
- পেটে গ্যাস।
- ডায়রিয়া বা কোষ্ঠকাঠিন্য, কখনও কখনও দুটোই। মলদ্বার শ্লেষ্মো বা পচ্ছিলি পদার্থ যাওয়া।
- অতিরিক্ত বায়ু ত্যাগ।
- অসম্পূর্ণ মল ত্যাগ।
- দ্রুত বাথরুম যাওয়ার অনুভূতি।
আইবিএস কোষ্ঠকাঠন্যি বা ডায়রিয়া প্রধান অথবা দুটোর সংমশ্রিণ হতে পারে। আমাদের দেশে ডায়রিয়া প্রধান রোগ বেশি দেখা যায়।
প্রধান সমস্যাগুলোর পাশাপাশি কেউ কেউ ক্লান্ত, উদ্যমহীনতা, দুঃশ্চিন্তা, পিঠ ব্যথা, প্রস্রাবের সমস্যা এবং অসুস্থতা বোধ করেন। অধিকাংশ রোগীর কিছুদিনের জন্য সমস্যাগুলো প্রকট হয় ওঠে এবং কিছুদিন পর কমে যায়। অথবা সম্পূর্ণ ভালো হয় যায়। কোনো কোনো রোগীর ক্ষেত্রে খাবার বা পানীয় এই সমস্যার সূত্রপাত করে।
এক এক জনের ক্ষেত্রে এক এক খাবার বা পানীয় পেটে সহ্য হয় না। অধিকাংশ ক্ষেত্রে সমস্যা করে এরকম খাবারগুলো হল-
- তেলসমৃদ্ধ খাবার (পোলাও, বিরিয়ানি ইত্যাদি)।
- ভাজাপোড়া খাবার।
- শাক।
- চা, কফি (ক্যাফেইন সমৃদ্ধ পানীয়)।
- কোমল পানীয় (কার্বনেইটেড ড্রিংকস)।
- মচমচে খাবার (চিপস, বিস্কুট)।
- চকলেট।
- অ্যালকোহল।
একে পেটের কার্যগত রোগ বলে। অর্থাৎ পেটের গঠনগত কোনো সমস্যা বা ক্রটি না থাকার পরও পেটের সমস্যা অনুভূত হওয়া। আইবিএস’য়ের যথাযথ কারণ অজানা। তবে অধিকাংশ বিশেষজ্ঞ মনে করেন এটি বদহজম এবং অন্ত্রের অতিসংবদেনশীলতার (Hypersensitivity) জন্য হয়ে থাকে।
এ কারণে আইবিএস কোনো পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে নির্ণয় করা সম্ভব নয়। চিকিৎসকরা রোগীর সমস্যা শুনে রোগ নির্ণয় করে থাকেন। তবে আইবিএস’য়ের সমস্যাগুলোর সঙ্গে যদি অতিরিক্ত ওজন হ্রাস, পেটে চাকা, মলের সঙ্গে রক্ত, রক্তশূণ্যতা বা পরিবারের কারও অন্ত্র ক্যান্সারের ইতিহাস থাকে সেক্ষেত্রে কোলোনোস্কপি করার প্রয়োজন হয়।
আইবিএস রোগীরা আইবিএস’য়ের পাশাপাশি অ্যানাল ফিসার, রেক্টাল প্রোলাপ্স এবং পাইলস’য়ে আক্রান্ত হতে পারেন।
এটি একটি দীর্ঘস্থায়ী সমস্যা। রোগের প্রকৃতি অনুধাবন করা চিকিৎসকের একট গুরুত্বপূর্ণ অংশ। রোগের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার মাধ্যমে আইবিএস নিয়ন্ত্রণ সম্ভব। চিকিৎসক যদি রোগীকে তার রোগ সম্পর্কে এবং পরীক্ষা-নিরীক্ষার ফলাফল বুঝিয়ে বলেন তবে রোগী উপকৃত হন।
খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন আইবিএস চিকিৎসার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। যেহেতু বিভিন্ন রোগী বিভিন্ন খাদ্যে সমস্যা বোধ করেন তাই রোগীকেই খেয়াল রাখতে হবে তার কোন কোন খাবারে সমস্যা হয় এবং সেগুলো এড়িয়ে চলতে হবে। তারপরও কিছু সাধারণ নির্দেশনা রয়েছে।
- নিয়মিত খাদ্য গ্রহণ এবং সময় নিয়ে খাওয়া।
- দুবার খাবার গ্রহণের মাঝখানে বেশিক্ষণ বিরতি না দেওয়া।
- প্রতিদিন কমপক্ষে আট গ্লাস পানি পান করা।
- চা, কফি কম খাওয়া (প্রতিদিন তিন কাপের বেশি না)।
- কোমল পানীয় বা মদ পরিহার করা।
- ফল কম খাওয়া (একবার একটি আপেল বা অর্ধেক কমলা)।
- দুধ এবং দুগ্ধজাত খাবার (ঘি মাখন, পায়েস, মষ্টি ইত্যাদি) এড়িয়ে চলা।
- যাদের কোষ্ঠকাঠন্যি - প্রধান রোগ তারা ওটস, বার্লি, রাই, কলা, আপেল, গাজর, আলু, সুবর্ণ তিসি ইত্যাদি খাবার এবং পানি বেশি খাবেন।
- যাদের ডায়রিয়া - প্রধান রোগ তাদের ফল ও সবজির খোসা, শাঁস ও দানা, শস্যজাতীয় খাবার, তুষ, সরিয়াল, বাদাম, বীজ ইত্যাদি এড়িয়ে চলতে হবে।
আইবিএস’য়ের সঙ্গে মনরোগের কিছু উপাদান পাওয়া যায়। দেখা যায় যারা অতিরিক্ত দুঃশ্চিন্তা এবং মানসিক চাপে থাকেন তাদের আইবিএস হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে এবং এদের অনেকে পরীক্ষা কিংবা চাকুরীর সাক্ষাৎকারের আগে আইবিএস’য়ের সম্মুখীন হন।
তবে এটা মনে করা ঠিক নয় সমস্যাটি কেবলমাত্র মানসিক কারণেই হয়। এ কারণে মানসকি চাপ মুক্ত থাকা আইবিএস চিকিৎসায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মেডিটেইশন, ইয়োগা ইত্যাদি করে মানসিক চাপ থেকে মুক্ত থাকা যায়। প্রয়োজনে মনরোগবিশেষজ্ঞের সাহায্য নেওয়া যেতে পারে।
নিয়মিত ব্যায়াম অনেক রোগীর ক্ষেত্রে আইবিএস নিয়ন্ত্রণ করতে সহায়তা করে। সাইকেল চালানো, দৌড়ানো, সাঁতার কাটা ইত্যাদি ব্যায়াম করা যেতে পারে। সপ্তাহে অন্তত ১৫০ মিনিট গা ঘামানো ব্যায়াম করা উচিত। নিয়মিত ব্যায়াম মানসিক চাপ মুক্ত থাকতেও সাহায্য করে।
চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ ব্যবহার করা উচিত নয়। প্রোবায়োটিক, অ্যান্টি-স্পাজমটিক, অ্যান্টি-মটিলিটি ওষুধ, মানসিক বিষণ্নতার প্রতিক্রিয়া লাঘব করার জন্য ব্যবহৃত ওষুধ ইত্যাদি আইবিএস চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয়।
আইবিএস চিকিৎসার ক্ষেত্রে রোগী এবং চিকিৎসক দুজনেরই ধৈর্য্য প্রয়োজন। চিকিৎসক সময় নিয়ে রোগীর সঙ্গে রোগ সম্পর্কে আলোচনা করলে রোগী সাহস পান যে তার রোগটি কঠিন কোনো রোগ নয় এবং এর চিকিৎসা রয়েছে। রোগীদের ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রিত, সুশৃঙ্খল ও মানসিক চাপ মুক্ত জীবনযাপন এবং খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন করে আইবিএস নিয়ন্ত্রণ সম্ভব।
ইংরেজি পরিভাষায় পেটের পীড়া আইবিএস হচ্ছে ইরিটেবল বাওয়েল সিনড্রোম। ইংরেজিতে সিনড্রোম শব্দের আভিধানিক অর্থ হচ্ছে একটি রোগের বিভিন্ন উপসর্গ বা লক্ষণের সমষ্টি। তাই আইবিএসকে পেটের কয়েকটি উপসর্গ বা লক্ষণের সমন্বয়ে সংজ্ঞা হিসেবে ধরা হয়। এ রোগে পেট অধিকতর স্পর্শকাতর হয় বলে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি ক্রিয়াশীল হয়ে থাকে। পাশ্চাত্য দেশে প্রতি ১০ জনে অন্তত একজন মানুষ এ রোগে তার জীবদ্দশায় আক্রান্ত হয়ে থাকে। নাটোরের একটি গ্রামে সমীক্ষা চালিয়ে দেখা গেছে, প্রতি ১০০ জন পুরুষে ২০ দশমিক ৬ জন এবং ১০০ জন নারীর মধ্যে ২৭ দশমিক ৭ জন এ রোগে আক্রান্ত হন।
আইবিএস রোগ কেন হয় :
আজ পর্যন্ত এ রোগের প্রকৃত কারণ জানা যায়নি। অনেক কারণে এ রোগ হয় বলে চিকিৎসার অন্তর্নিহিত কারণ নির্ণয় করা সম্ভব হয়নি। এখন পর্যন্ত কেবল উপসর্গের চিকিৎসা দিয়ে রোগীকে ভালো রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে। বিভিন্ন কারণের মধ্যে খাদ্যনালির অতি সংবেদনশীলতা, পরিপাকতন্ত্রের নাড়াচাড়ার অস্বাভাবিকতা বা অন্ত্র থেকে মস্তিষ্কে পাঠানো বার্তায় ত্রুটির কারণে আইবিএসের লক্ষণগুলো দেখা দেয়। এছাড়া স্নায়ুর চাপ এবং দুঃশ্চিন্তা, খাদ্যাভ্যাস, অন্ত্রের প্রদাহ এবং সংক্রমণ, হরমোন (নারীদের মাসিকচক্রের সঙ্গে), মাদক গ্রহণ, বংশগত কারণ, পেটের যে কোনো অপারেশন ও দীর্ঘকাল ধরে অ্যান্টিবায়োটিক সেবনের কারণে আইবিএসের সমস্যাকে বাড়িয়ে দেয়।
আইবিএস রোগের উপসর্গ কি কি :
পেটব্যথা, পেটফাঁপা, পায়খানার সঙ্গে আম যাওয়া, ডায়রিয়া, কোষ্ঠকাঠিন্য, ডায়রিয়া ও কোষ্ঠকাঠিন্যের সমন্বয় ইত্যাদি।
কোনো রোগীকে আইবিএস হিসেবে শনাক্ত করতে হলে এ লক্ষণগুলোতে অন্তত দুটি লক্ষণ তিন মাস পর্যন্ত উপস্থিত থাকতে হবে।
এছাড়া অন্য যেসব লক্ষণ থাকতে পারে, সেগুলো হল- পেটে অত্যধিক গ্যাস, পেটে অত্যধিক শব্দ, বুক জ্বালা, বদহজম, পায়খানা সম্পূর্ণ না হওয়া, পেটে ব্যথা হলে টয়লেটে যাওয়ার খুব তাড়া, পেটব্যথা হলে পাতলা পায়খানা হওয়া, শারীরিক অবসাদ ও দুর্বলতা, মাথাব্যথা, পিঠে ব্যথা, কোমরে ব্যথা, ঘন ঘন প্রস্রাবের বেগ, নারীদের ক্ষেত্রে মাসিক চলাকালীন কিংবা মিলনের সময় ব্যথা।
যদি পায়খানার সঙ্গে রক্ত পড়ে, শরীরের ওজন কমে যায় এবং হঠাৎ পায়খানার ঘনত্বের পরিমাণ কমে যায়, তবে এগুলো অন্য কোনো রোগের এমনকি কোলোরেকটাল ক্যানসারের উপসর্গও নির্দেশ করে। এ অবস্থায় অতিসত্তর কোনো গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্টের শরণাপন্ন হতে হবে।
আইবিএস রোগ নির্ণয় পদ্ধতি :
এ রোগ সাধারণত উপসর্গের ওপর ভিত্তি করে নির্ণয় করা হয়। রোগীর বয়স ও সুনির্দিষ্ট লক্ষণের ওপর নির্ভর করে এক বা একাধিক পরীক্ষার প্রয়োজন হয়। ৪০ বছরের কম বয়সী রোগীদের ক্ষেত্রে লক্ষণের ওপর নির্ভর করে রোগ শনাক্ত করা যায়। বয়স ৪০ বছরের ওপরে হলে কিছু পরীক্ষার প্রয়োজন হতে পারে। তবে আইবিএস রোগীর ক্ষেত্রে এসব পরীক্ষার ফলাফল স্বাভাবিক থাকবে। পরীক্ষাগুলো হল-
- রক্ত পরীক্ষা
- মল পরীক্ষা
- পেটের এক্স-রে
- বেরিয়াম এনেমা
- প্রক্টোসিগময়ডোস্কপি/ কোলোনোস্কপি
আইবিএস রোগ হলে অবশ্যই মনে রাখতে হবেঃ
আইবিএস ঝুঁকিপূর্ণ রোগ নয়, সংক্রামক রোগও নয়, এমনকি বংশগত রোগও নয়। এ রোগ অন্ত্রের ক্যানসার কিংবা অন্য কোনো ক্যানসারের কারণ নয়, এ কথাগুলো রোগীর চিকিৎসা শুরুর আগে রোগীকে ভালো করে বুঝতে হবে। প্রথমেই রোগী ও চিকিৎসকের মধ্যে একটা সম্পর্ক গড়ে নিতে হবে। তাহলেই এ রোগের চিকিৎসায় ভালো ফল পাওয়া যাবে। রোগীর উপসর্গ কমে না বলে রোগী ঘন ঘন চিকিৎসক পরিবর্তন করেন। ঘন ঘন চিকিৎসক পরিবর্তন করলেই ভালো ফল লাভ করা যাবে না, এ কথা রোগীকে বুঝতে হবে। বিদেশী সমীক্ষায় দেখা গেছে, আইবিএস রোগীদের মধ্যে ১০ শতাংশ চিকিৎসকের কাছে যান। অধিকাংশ রোগী সামান্য ব্যবস্থায়ই উপশম লাভ করেন। তাদের ২৫ শতাংশ রোগীর উপসর্গের কোনো পরিবর্তন হয় না। এমনকি তাদের অবস্থা আগের চেয়েও খারাপ হতে পারে।
আইবিএস রোগের চিকিৎসা :
বর্তমানে আইবিএসের চিকিৎসা উপসর্গভিত্তিক। ডায়রিয়াপ্রবণ আইবিএস (IBS-D), কোষ্ঠকাঠিন্যপ্রবণ আইবিএস (IBS-C) ও উভয় লক্ষণ থাকলে (IBS-M) সে অনুযায়ী চিকিৎসা দেয়া হয়। আইবিএস চিকিৎসায় কোনো একক ওষুধ সম্পূর্ণরূপে কার্যকরী নয়।
প্রথমত, খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন করতে হবে। দুধ ও দুধজাতীয় খাবার রোগীর উপসর্গ বাড়িয়ে দেয়। তাই এগুলো পরিহার করতে হবে। খাবার খাওয়ার সময় লক্ষ্য করুন কোন খাবারগুলো আপনার উপসর্গ বাড়িয়ে দেয়, সেগুলো পরিহার করুন।
মানসিক চাপ কমাতে হবে। এমনকি মানসিক চাপ থেকে মুক্ত থাকতে হবে। ব্যায়াম করতে পারেন অথবা মনকে আনন্দ আর প্রশান্তি দিতে পারে এমন কিছু করতে পারেন। রিলাক্সেশনথেরাপির মাধ্যমে মানসিক চাপ কমানো যেতে পারে।
আইবিএসডির ক্ষেত্রে লোপেরামাইড, ডাইফেনোঅক্সালেট, অক্সিফেনোনিয়াম প্রভৃতি ওষুধ ব্যবহার করা হয়। এ ওষুধগুলো অন্ত্রের নাড়াচাড়া কমানোর মাধ্যমে কাজ করে।
আইবিএসসির ক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের লেক্সোটিভ-জাতীয় ওষুধ ব্যবহার করা হয়। ইসবগুলের ভুসি ও অন্য আঁশ এ ক্ষেত্রে কার্যকরী ভূমিকা রাখে।
যেসব রোগীর ক্ষেত্রে পেটে ব্যথা, আইবিএসের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য উপসর্গ সে ক্ষেত্রে অ্যান্টিস্পাসমোডিক্স-জাতীয় ওষুধ ব্যবহার করা হয়। এগুলো অন্ত্রের সংকোচন কমানোর মাধ্যমে কাজ করে।
লেখক পরিচিতি
অধ্যাপক, গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি বিভাগ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়,
সার্জারি বিশেষজ্ঞ [এমবিবিএস (ডিএমসি), এফসিপিএস (সার্জারি) বিশেষ ট্রেনিং বৃহদন্ত্র ও পায়ুপথ সার্জারি] ডা. মীর রাশেখ আলম অভি।
এই আর্টিকেল টি সম্পূর্ণ পড়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ, এই আর্টিকেল যদি বুঝতে কোন অসুবিধা হয় অথবা কোনো প্রশ্ন থাকে তাহলে অবশ্যই নিচের কমেন্ট বক্সে কমেন্ট করুন, যথাক্রমে সকল কমেন্টের উত্তর দেওয়া হবে। আর নতুুন কিছু জানার থাকলে আমাদের জানান, আমরা সে-সব জানানোর চেস্টা করবো আমাদের সাথে যোগাযোগ
স্বীকারোক্তিঃ UipOka তে উপস্থাপিত সকল তথ্যই দক্ষ ও অভিজ্ঞ লোক দ্বারা ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহ করা। যেহেতু কোন মানুষই ভুলের ঊর্দ্ধে নয় সেহেতু আমাদেরও কিছু অনিচ্ছাকৃত ভুল থাকতে পারে। সে সকল ভুলের জন্য আমরা আন্তরিকভাবে ক্ষমাপ্রার্থী।
