একনজরে বিগ ব্যাং থেকে বর্তমান মানবসভ্যতা পর্ব-৪ | Big Bang to Present Humanity at a Glance Part-4

এসময় সমুদ্রে দ্বীপের সৃষ্টি হয়ে পৃথিবীর প্রায় সকল ভূখণ্ড একত্রে একটি সম্পূর্ণ ভূখণ্ড রূপে ছিল। যার নাম দেয়া হয়েছে আফ্রো-ইউরেশিয়া। সারা পৃথিবীর সমগ্র ভ
Please wait 0 seconds...
Scroll Down and click on Go to Link for destination
Congrats! Link is Generated
আস্‌সালামু আলাইকুম! আশা করি আল্লাহ এর অশেষ রহমতে আপনারা সবাই ভালো আছেন।আমিও আপনাদের দোয়াই ভালো আছি। আজ আপনাদের কাছে একটা নতুন আর্টিকেল নিয়ে হাজির হয়েছি। তাই কথা না বাড়িয়ে চলুন সরাসরি আর্টিকেলটির মুল অংশে প্রবেশ করি। আজকের আর্টিকেল এর মূল বিষয় হলোঃ

একনজরে বিগ ব্যাং থেকে বর্তমান মানবসভ্যতা পর্ব-৪

একনজরে বিগ ব্যাং থেকে বর্তমান মানবসভ্যতা পর্ব-৪ | Big Bang to Present Humanity at a Glance Part-4


বিগ ব্যাং’ এর পর পর্যায়ক্রমে পৃথিবীর সৃষ্টি এবং পৃথিবীতে ‘প্রথম প্রাণ’ সৃষ্টির উপযুক্ত পরিবেশ গঠিত হবার সময় পর্যন্ত একটি ধারাবাহিকতা তুলে ধরা হয়েছিল প্রথম পর্বে। দ্বিতীয় পর্বেতুলে ধরা হয়েছে পৃথিবীতে ‘আদি-প্রাণ’ নামক প্রথম প্রাণের সৃষ্টি হবার পর পর্যায়ক্রমে বর্তমান মানুষের সরাসরি পূর্বপুরুষ ‘প্রাইমেট’ এর উৎপত্তি পর্যন্ত সময়ে প্রাণের ক্রমবিকাশের ধারা।

তৃতীয় পর্বে উল্লেখ করা হয়েছে প্রথম ‘প্রাইমেট’ এর উৎপত্তি থেকে পৃথিবীতে প্রথম আধুনিক মানুষের আবির্ভাব পর্যন্ত সময়ের কথা।

এবার চতুর্থ পর্বে দুই লক্ষ বছর আগে পৃথিবীর প্রথম মানুষদের সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়া থেকে শুরু করে আধুনিক যুগের সূচনালগ্ন পর্যন্ত মানব সভ্যতার উত্থান-পতনের বিশেষ ঘটনাসমুহ ক্রমান্বয়ে উল্লেখিত হলো।

মানুষের ভাষা আবিষ্কারঃ

আজ থেকে প্রায় দুই লক্ষ বছর পূর্বে মানুষ তার স্বরযন্ত্র দিয়ে অন্যান্য প্রাণীদের থেকে এগিয়ে গিয়ে এক ধরনের স্বর-এর পরিবর্তে বিভিন্ন ধরনের আওয়াজ করতে সক্ষম হয়। সৃষ্টি হয় ‘ভাষা’। ভাষা মানুষকে দেয় বেঁচে থাকার, টিকে থাকার আরেকটি বৃহৎ সুযোগ। মানুষ একে অন্যের সাথে সহজে যোগাযোগ করতে সক্ষম হয়, তথ্যের আদান প্রদান করতে সক্ষম হয়ে ওঠে। তথ্য বয়ে যায় প্রজন্মান্তরে। যা তাকে দলবদ্ধ হতে, দলবদ্ধ থাকতে, ও একসাথে কাজ করতে বিশেষভাবে সাহায্য করে।

সারাবিশ্বে মানবসভ্যতার কর্তৃত্ব স্থাপন

এক লক্ষ বছর আগে মানুষ ভাষা নামক সংকেত, অন্তত তথ্য আদান-প্রদান ও একে অন্যের সাথে যোগাযোগ ভালভাবেই আয়ত্তে নিয়ে আসে, ততদিনে তারা আগুন, আদিম পাথর, ও গাছের ডালের ভোঁতা অস্ত্রের ব্যবহার জেনে গেছে। সেসময়ই মানুষ তাদের আদি নিবাস আফ্রিকা অঞ্চল ছেড়ে সারা পৃথিবীতে চলে যেতে শুরু করে। বলা যেতে পারে এটাই সারা বিশ্বে মানব-কর্তৃত্ব স্থাপনের সূচনা।


আফ্রো ইউরেশিয়ার জন্ম

এসময় সমুদ্রে দ্বীপের সৃষ্টি হয়ে পৃথিবীর প্রায় সকল ভূখণ্ড একত্রে একটি সম্পূর্ণ ভূখণ্ড রূপে ছিল। যার নাম দেয়া হয়েছে আফ্রো-ইউরেশিয়া। সারা পৃথিবীর সমগ্র ভূখণ্ডের ক্ষেত্রফল দাঁড়িয়েছিল ৩ কোটি ৩০ লক্ষ বর্গমাইল যেটি প্রায় সম্পূর্ণ চন্দ্র পৃষ্ঠের ক্ষেত্রফলের দ্বিগুণ। এই আদিম মানবেরা পৃথিবীর প্রায় অর্ধেকটা জয় করেছিলো শুধুমাত্র পায়ে হেঁটে।

আফ্রিকা ইউরোপ এশিয়া যখন একত্রে ছিল।


আদিম মানব যখন পৃথিবী জয় করছে তখনি দেখা যায় পৃথিবীর এক ভয়াবহ পরিবর্তন যার নাম Ice-Age. প্রায় ৫০ হাজার বছর পূর্বে উত্তর মেরু থেকে বরফ যুগের হিমবাহ ছড়িয়ে পরতে থাকে চারিদিকে।
এসময় থেকে ৩০ হাজার বছর পূর্ব পর্যন্ত সময়ে মানুষের এক অংশ পায়ে হেটে পৌঁছে যায় বর্তমান চীন হয়ে অস্ট্রেলিয়া।

আজ থেকে বিশ হাজার বছর পূর্বে মানুষ প্রথম প্রবেশ করে বর্তমানে পৃথিবীর যে অংশটি ইউরোপ বলে পরিচিত সে অংশে। সেই সাথে বরফ যুগের ঠাণ্ডা অঞ্চল সাইবেরিয়াতেও শুরু হয় মানুষের পদচারণা। মানুষ যত বৈরী পরিবেশের দিকে যেতে থাকে ততই টিকে থাকার জন্য তাঁদের মস্তিষ্ক, বুদ্ধির বিকাশ ঘটতে থাকে।

এই বরফ যুগে প্রচুর পরিমাণ পানি বরফে পরিণত হওয়ায় সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা কমে যায়। এতে মানুষের পৃথিবী বিজয়ের সর্বশেষ বাঁধাটিও দূর হয়। সাইবেরিয়া ও উত্তর আমেরিকার সংযোগ অংশটি সমুদ্রের তলদেশ থেকে বেরিয়ে আসে ও সেই পথে সাইবেরিয়া থেকে মানুষ উত্তর আমেরিকায় পৌছায়।

মানুষ জাতির পৃথিবী বিজয় 


১২ হাজার বছর পূর্বে অর্থাৎ খ্রিস্টপূর্ব১০ হাজার অব্দে উত্তর আমেরিকা থেকে মানুষ পৌঁছে যায় দক্ষিণ আমেরিকায়। অবশেষে পদযাত্রায় পৃথিবী বিজয় সম্পন্ন হয় মানব জাতির। মনুষ্য গোষ্ঠীর বিচরণ এসময় সমগ্র পৃথিবী জুড়ে।

বরফ যুগের সমাপ্তি


সময় এগিয়ে চলে, বরফ যুগের সমাপ্তি ঘটে। জমে থাকা বরফ গলে যাওয়ায় পুনরায় সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি পায়। এতে একত্রে থাকা স্থলভাগ সমুদ্রপৃষ্ঠের উত্থানে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে এবং সেই সাথে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় প্রতি অংশে থাকা মানুষেরাও। সমুদ্র দিয়ে বিচ্ছিন্ন দুটি বৃহৎ আলাদা স্থল ভাগ সৃষ্টি হয়, সেই সাথে কিছু ছোট দ্বীপ। পৃথিবীর মানচিত্র বলতে আমরা এখন যা বুঝি পৃথিবীর জল ও স্থলভাগ অনেকটা সেরকম একটা অবস্থানে চলে আসে।

মানুষের স্থায়ী আবাস তৈরি

প্রায় ৪০ হাজার বছরের পদযাত্রা শেষে যখন মানব পদচিহ্ন সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে গেছে তখন মানবজাতি শুরু করে স্থায়ী আবাস।
কিছু মানুষের এক-একটা গোষ্ঠী একত্রে কোন একটি সুবিধাজনক স্থানে স্থায়ী ভাবে বসবাস শুরু করে। শুরু হয় মানবজাতির স্থায়ী দলবদ্ধ অবস্থান। জনসংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পেতে থাকে। বেশি লোকের অন্নসংস্থানের জন্য মানুষের আরো বেশি মাথা খাটাতে হয়।

মানুষের কৃষি কাজের শুরু

খৃষ্টপূর্ব ৪০০০ অব্দে মানুষ বীজ বুনতে শেখে যা মানব সভ্যতার গতিপ্রকৃতিতে নিয়ে আসে আমূল পরিবর্তন। এই বীজ, সেই প্রায় সত্তর লক্ষ বছর আগের ঘটা ‘ঘাস বিপ্লব’ এর ফলাফল। আজ আমরা যে ধান, গম বা অন্য কোন শস্য আবাদ করছি এগুলোর প্রথম প্রজন্মের উৎপত্তি ও সেই ‘ঘাস বিপ্লব’। ঘাস বিপ্লব বা তৃণ বিপ্লব মানব বিবর্তন ও মানব সভ্যতার বিবর্তন দুই ক্ষেত্রেই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। প্রথমবার ‘এপ’ কে গাছ থেকে মাটিতে নামতে সাহায্য করে, দ্বিতীয়বার মানব জাতিকে খাদ্য ও শস্য দিয়ে।

খাদ্য সংগ্রহের একমাত্র উপায় ‘পশু-পাখি শিকার’ করার সাথে যখন শস্য উৎপাদন যুক্ত হল এটি ছিল মানুষের শক্তির চাহিদা পূরণে বিশাল একটা উৎস। এরই মধ্যে কোথাও কোথাও মানুষ পশু শিকারের বদলে পশু পালন করতে শুরু করে। পশু শিকারের চেয়ে গৃহপালিত পশু অনেক কম ঝুঁকিতে প্রাণীজ খাদ্যের যোগান দেয় যা সহজেই প্রচলিত হয়ে ওঠে।

পশুপালন সভ্যতা

মধ্যপ্রাচ্যের মানুষের জন্য ছিল প্রচুর উর্বর জমি, নানা ধরনের শস্য ও বেশ কিছু প্রকারের গৃহপালিত পশু। অন্যদিকে আফ্রিকা ও ইউরোপে এগুলো ছিল অপ্রতুল। এতে মধ্যপ্রাচ্যের মানুষ বেশি পরিমাণে ‘ক্ষমতাধর’ হয়ে ওঠে এবং এ অঞ্চলে সভ্যতার বিকাশ দ্রুত ঘটতে থাকে।

মধ্যপ্রাচ্যের গৃহপালিত পশুর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রাণীটি ছিল ঘোড়া। যদিও ঘোড়ার উৎপত্তি আমেরিকা মহাদেশে কিন্তু আমেরিকায় থাকা ঘোড়ারা বিলুপ্ত হয়ে যায় সেখানকার মানুষ তাঁদের ব্যবহারের পূর্বেই। ঘোড়ার যে প্রজাতি মধ্যপ্রাচ্যে চলে আসতে পেরেছিল সেগুলো বেঁচে থাকতে সমর্থ হয়।

মধ্যপ্রাচ্যে সভ্যতার বিকাশে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত প্রাণী হল ঘোড়া। এখানকার মানুষ ঘোড়াকে প্রশিক্ষণ দিতে সক্ষম হয়, যা গৃহপালিত ঘোড়াকে আরো বেশি কর্মক্ষম করে তোলে। এই প্রশিক্ষিত ঘোড়া পরবর্তীতে দৈনন্দিন কাজ থেকে শুরু করে যুদ্ধক্ষেত্র পর্যন্ত ব্যবহৃত হয়েছে।

আমেরিকায় ঘোড়ার উৎপত্তি হলেও ‘দুঃখজনকভাবে’ আমেরিকার মানুষ ঘোড়াকে কাজে লাগানোর সুযোগ পায় মধ্যপ্রাচ্যের প্রায় ৫৫০০ বছর পরে ১৪৯২ খৃষ্টাব্দে কলম্বাস আমেরিকা আবিষ্কার করে ঘোড়া নিয়ে যাবার পর।

মেসোপোটেমিয়া সভ্যতা


খৃষ্টপূর্ব ৩১০০ অব্দে মেসোপটেমিয়ার সভ্যতা গড়ে ওঠে এবং হয়ে ওঠে মানব জাতির ক্ষমতা ও মানব সভ্যতার অগ্রগতির কেন্দ্রবিন্দু। মেসোপটেমিয়ার সভ্যতার পাশাপাশি নীল নদ প্রভৃতি নদী তীরবর্তী উর্বর অঞ্চলে গড়ে ওঠে আরো সভ্যতা। মেসোপটেমিয়ার সুমেরীয় অংশকে বলা যেতে পারে ‘পৃথিবীর প্রথম শহর’। সেখানে সবচেয়ে বড় শহর Uruk-এ জনসংখ্যা ৫০ হাজার থেকে ৮০ হাজার পর্যন্ত গিয়েছিলো বলে ধারণা করা হয়। তখন গোটা দুনিয়ার মোট জনসংখ্যা ছিলো ২.৭ কোটির মত।

খ্রিস্টপূর্ব ৩০০০ অব্দে সেখানে মূলত কৃষি নির্ভর সভ্যতা গড়ে ওঠে। তাঁদের প্রধান শস্য ছিল গম এবং বার্লি। বছরে একবার শস্য উৎপাদন হওয়ায় এবং এই শস্য দিয়ে সারা বছর জীবিকা অর্জন করতে হবে বিধায় সেখানে উৎপাদিত শস্য হয়ে ওঠে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এই শস্যের হিসাব রাখার জন্য তাঁরা প্রথম আবিষ্কার করে লিখন পদ্ধতি, সেগুলোর নিরাপত্তার জন্য গড়ে ওঠে প্রথম ‘সেনাবাহিনী’ এবং শস্যের তদারকি ও পরিচালনার জন্য উৎপত্তি হয় পৃথিবীর সর্বপ্রথম ‘রাজনীতি’। খ্রিস্টপূর্ব ২৮৫২ তে আমরা প্রথম দলিলকৃত চাইনিজ রাজারকথা জানতে পারি।

মানব সভ্যতা প্রস্তরযুগ পেছনে ফেলে প্রবেশ করে ব্রোঞ্জ যুগে।


বর্তমানে আমাদের গণনাপদ্ধতি ১০ ভিত্তিক হলেও সুমেরীয় গণনাপদ্ধতি ছিল ১২ ভিত্তিক, যার ফল আমরা এখনো বহন করছি। তাঁদের গণনা ১২ ভিত্তিক হওয়ায় এখনো আমাদের সময়ের ১২ ঘণ্টা দিন, ১২ ঘণ্টা রাত, ১২ এর গুণিতক ৬০ সেকেন্ডে মিনিট ও ৬০ মিনিটে ঘণ্টা।

মানুষের মধ্যে যুদ্ধের সূচনা

খ্রিস্টাব্দ ২৭০০ অব্দে মানবজাতি সরাসরি নিজের পায়ে কুড়াল মারতে শুরু করে। মানুষের মধ্যে প্রথমবারের মত দেখা দেয় ‘যুদ্ধ’। তখন তাঁদের হাতে প্রস্তরযুগের ভোঁতা অস্ত্রের পরিবর্তে নতুন ধারালো ব্রোঞ্জের অস্ত্র। মানব ইতিহাসের প্রথম যুদ্ধটি সংঘটিত হয়েছিলো ‘সুমেরীয়’ ও ‘ইলাম’ সভ্যতার লোকদের মধ্যে। যুদ্ধের সাথে সাথে প্রযুক্তিগত উন্নয়ন ঘটতে থাকে আগের চেয়ে অনেক দ্রুতগতিতে।

বিভিন্ন আঞ্চলিক সভ্যতার মধ্যে আন্তঃআঞ্চলিক বাণিজ্য বিস্তৃতি লাভ করে। এক সভ্যতার অঞ্চল থেকে আরেক অঞ্চলে গাধার পিঠে করে মালামাল পরিবহন করা হতো। এই বাণিজ্য শুধু মালামাল পরিবহনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না। এর ফলে এক সভ্যতার আচার-আচরণ, বিদ্যা, গল্প, বিশ্বাস এগুলো বিভিন্ন সভ্যতার মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে।

ক্রমান্বয়ে কুঁড়েঘর থেকে বেরিয়ে এসে খ্রিস্টপূর্ব ২৬০০ এর দিকে মানুষ সুউচ্চ স্তম্ভ ও আবাসস্থল নির্মাণ করতে শিখেছে। মিশরেরে পিরামিড ও অন্যান্য প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শনগুলো মূলত এ সময়ের তৈরি করা শুরু হয়েছিলো।

গ্যাসোলিনের ব্যবহারঃ


খ্রিস্টপূর্ব ২০০০ এর দিকে মানুষ গ্যাসোলিনের ব্যবহার শেখে যা কোনো কিছুতে সহজেই আগুন ধরাতে সাহায্য করে, বর্তমানে আমরা যাকে বলছি খনিজ তেল। যা বর্তমান বিশ্বে একই সাথে সম্পদ এবং যুদ্ধের অন্যতম কারণ।

চাকা আবিষ্কার

খ্রিস্টপূর্ব ৩৫০০ অব্দে সর্বপ্রথম ‘চাকা’ আবিষ্কার হলেও খ্রিস্টপূর্ব ২০০০ অব্দ থেকেই কার্যকরভাবে গাড়ি ও মাটির তৈজসপত্র তৈরিতে চাকার ব্যবহার শেখে মানুষ।
খ্রিস্টপূর্ব ১২০০ অব্দে মানব সভ্যতায় ব্রোঞ্জ যুগের সমাপ্তি এবং লৌহ যুগের সূচনা ঘটে। মানুষ ব্রোঞ্জের অস্ত্রের পরিবর্তে আরো সহজে আরো শক্তিশালী অস্ত্র তৈরি করতে শেখে লোহার সাহায্যে। সে সময় থেকে শুরু মানব সভ্যতার লৌহ যুগ।



এই আর্টিকেল টি সম্পূর্ণ পড়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ, এই আর্টিকেল যদি বুঝতে কোন অসুবিধা হয় অথবা কোনো প্রশ্ন থাকে তাহলে অবশ্যই নিচের কমেন্ট বক্সে কমেন্ট করুন, যথাক্রমে সকল কমেন্টের উত্তর দেওয়া হবে। আর নতুুন কিছু জানার থাকলে আমাদের জানান, আমরা সে-সব জানানোর চেস্টা করবো আমাদের সাথে যোগাযোগ


স্বীকারোক্তিঃ UipOka তে উপস্থাপিত সকল তথ্যই দক্ষ ও অভিজ্ঞ লোক দ্বারা ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহ করা। যেহেতু কোন মানুষই ভুলের ঊর্দ্ধে নয় সেহেতু আমাদেরও কিছু অনিচ্ছাকৃত ভুল থাকতে পারে। সে সকল ভুলের জন্য আমরা আন্তরিকভাবে ক্ষমাপ্রার্থী।

About the Author

উইপোকা ব্লগে বিভিন্ন শিক্ষামূলক, বিসিএস প্রস্তুতি, সকল চাকরির সার্কুলার পোস্ট করা হয়। প্রতিটি ব্লগ পোস্টের মাধ্যমে, আমরা একটি ক্রমবর্ধমান অনলাইন ওয়েবসাইট তৈরি করার জন্য কাজ করছি।

Post a Comment

ব্যাকলিংক পাওয়ার উদ্দেশ্য নিয়ে কোন কারণ ছাড়া লিংকিং কমেন্ট করা হলে সেই সকল কমেন্ট অনুমোদন করা হবে না। তবে যুক্তিসঙ্গত কারনে লিংলিংক কমেন্ট করলে সেগুলো যাচাই বাছাই করার পর অনুমোদন করা হবে। তাছাড়া আমরা সবসময় জিরো স্প্যামিং নীতি অনুসরণ করি।উইপোকার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ

স্বীকারোক্তি

এই ওয়েবসাইটে উপস্থাপিত সমস্ত তথ্য ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহ করা হয়। পোস্ট লেখার সময় অসাবধানতাবশত আমাদের অনিচ্ছাকৃত ভুল হতে পারে। যেকোনো অপ্রীতিকর ভুলের জন্য আমরা আন্তরিকভাবে ক্ষমাপ্রার্থী এবং কোনো প্রকার ভুল তথ্যের জন্য UiPoka.Com দায়ী নয়।

আপনি যদি কোনো ভুল তথ্য দেখতে পান তাহলে অবিলম্বে আমাদের জানান। আমরা দ্রুত এটি ঠিক করার চেষ্টা করবো। অভিযোগ করতে এখানে ক্লিক করুন

Cookie Consent
We serve cookies on this site to analyze traffic, remember your preferences, and optimize your experience.
Oops!
It seems there is something wrong with your internet connection. Please connect to the internet and start browsing again.
AdBlock Detected!
We have detected that you are using adblocking plugin in your browser.
The revenue we earn by the advertisements is used to manage this website, we request you to whitelist our website in your adblocking plugin.
Site is Blocked
Sorry! This site is not available in your country.